← তালিকা

শরীরের সময় ›দৈনিক রুটিন

আজ যেটুকু মানতে পারলাম

আজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে হাতে আর কনুইয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিলাম, তারপর গোসলের সময় সাবান প্রায় বাদ দিয়ে শুধু পানি দিয়েই বেশিরভাগটা ধুয়ে নিলাম। রিটায়ারমেন্টের পর হাতে সময় অনেক বেশি বলে আজ সারাদিনটা একটু ধীরেসুস্থে রুটিন মেনে চলার চেষ্টা করলাম, আগে চাকরির তাড়াহুড়োয় এসব প্রায়ই বাদ পড়ে যেত।

– সকালে ময়েশ্চারাইজার — মানলাম
– দুপুরে রোদ এড়িয়ে ছায়ায় বসে থাকলাম
– রাতে সুতির জামা পরে শুয়েছি
– মশলাদার খাবারটা আজও এড়াতে পারলাম না, বন্ধুর মেয়ের বিয়ের নেমন্তন্নে গিয়ে

বিয়েবাড়ি নিয়ে একটু চিন্তায়ও আছি, এই মাসে পরপর কয়েকটা নেমন্তন্ন পড়ে গেছে, আর হাতের চামড়াটা এখনো পুরোপুরি ঠিক হয়নি বলে শাড়ির হাতাটা একটু লম্বা বেছে নিলাম, যাতে ঢাকা থাকে। কিছুদিন আগে বাজার থেকে পুরনো একটা হিউমিডিফায়ার কম দামে জোগাড় করেছিলাম, আজ রাতে প্রথমবার চালালাম, ঘরটা একটু আরামদায়ক লাগলো।

এখনো সবকিছু ঠিকঠাক মানতে পারছি না, তবু যতটুকু পারছি ততটুকুই ধরে রাখার চেষ্টা করছি…

দাদা-দিদিরা, আপনাদের দিনটা কেমন কাটলো?
সংক্ষেপে বললে — আজ কিছুটা মানলাম, কিছুটা পারলাম না।

মন্তব্য 3

  • রোদ্দুর06.20

    মশলাটা আমিও ছাড়তে পারি না দিদি। শিফট এলোমেলো হলে হাতের চামরা ‘হঠাৎ’ খারাপ হয়ে যায়।

  • হারানো হাসি06.20

    মশলাদার খাবার এড়ানোটা আমারও সবচেয়ে কঠিন লাগে

  • চুপচাপ মেয়ে06.22

    মশলাদার এড়ানো সত্যিই কঠিন, বিয়েবাড়ি গেলে আরও বেশি। আমিও হাতা লম্বা জামা পরি, ২ মাস ধরে একই রকম করছি।

সব লেখার তালিকা দেখুন →