সারাদিন বাড়ি থেকে কাজ করি, চেয়ারে বসেই থাকা হয় বেশিরভাগ সময়। পায়ের পেছনে আর হাঁটুর ভাঁজে ঘাম জমে চুলকানি শুরু হয়ে যায়, টেরও পাই না কখন হাত ওখানে চলে যায়।
একটা ক্লাসে শুনলাম, বসে থাকার মাঝে একটু উঠে দাঁড়ানোর অভ্যাসটা নাকি চুলকানির চক্র ভাঙতে সাহায্য করে। শিক্ষিকা বলছিলেন, “হাত যেখানে যাচ্ছে, চোখ সেখানে না দিয়ে পা-টা নাড়ান আগে।” কথাটা মাথায় গেঁথে গেল।
পরীক্ষার পড়া নিয়ে এমনিতেই মাথায় চাপ আছে, তার উপর কাজ। তাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে উঠে একটু হাঁটার নিয়মটা ধরার চেষ্টা করছি। প্রথম দিকে ভুলে যেতাম, এখন টাইমারটা চোখের সামনে রাখি বলে একটু মনে থাকে। দুশ্চিন্তা লেখার খাতাটাও পাশেই রাখা থাকে, হাত অস্থির লাগলে চুলকানোর বদলে ওখানে কয়েক লাইন লিখে ফেলি।
পুরোপুরি কমেনি, তবে আগের চেয়ে হাতটা একটু কম যাচ্ছে ওদিকে।
