← তালিকা

মনের সময় ›চোখের জলের গল্প

হাতের একজিমাটা এতদিন খেয়ালই করিনি

মায়ের স্ট্রোকের পর প্রায় ৮-৯ মাস নিজের শরীরের কথা ভাবার সময়ই পাইনি।

মা একটু স্থিতিশীল এখন, এই ফাঁকে দেখি হাতের তালু আর কনুইয়ের ভাঁজে একজিমা কবে থেকে বেড়ে গেছে।

রাতে চুলকানিতে ঘুম ভেঙে যায়। বাসন-কাপড় কাচার পর হাত আরও ফেটে যায়, গ্লাভস পরেও লাভ হয় না তেমন।

শহরে ভালো চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ নেই। নিজেকে (সবার শেষে) রেখে দিতে দিতে এই অবস্থা হলো বোধহয়।

মন্তব্য 1

  • নীলপরী04.20

    হাতের এই অবস্থাটা পড়ে খুব চেনা লাগলো। আমারও তালুতে আর কনুইয়ের ভাঁজে এরকম হয়। রাতে চুলকানিতে ঘুম ভাঙাটা সবচেয়ে কষ্টের। বাসন ধোয়ার পর হাত আরও শুকিয়ে ফাটে, এটাও একদম মিলে গেল। গ্লাভস পরেও লাভ হয় না, ভেতরে ঘাম বসে গিয়ে উল্টো চুলকানি বাড়ে মাঝে মাঝে। মায়ের যত্ন নিতে নিতে নিজের শরীরটা পরে খেয়াল করা, এটা দোষ না, স্বাভাবিক। এখন অন্তত একটু সময় বের করছেন এটাই বড় কথা। শহরে ভালো ডাক্তার না থাকলে

সব লেখার তালিকা দেখুন →