← তালিকা

মনের সময় ›চোখের জলের গল্প

ডায়েরি লিখেও চুলকানি কমেনি

রাতে ঘুমানোর আগে কয়েকদিন ধরে খাতায় কিছু লিখছি। মাথায় এত চিন্তা ঘোরে যে লিখে না রাখলে ঘুমই আসে না। কী লিখি তার কোনো ঠিক নেই, কখনো দিনের কাজের কথা, কখনো পরীক্ষার চাপের কথা, কখনো শুধু “আজ ভালো লাগেনি” গোছের এক লাইন।

কাজটা বাড়ি থেকেই করি, তাই সারাদিন একই চেয়ারে বসে থাকতে হয়। চেয়ারটাও দোকান থেকে কেনা না, একটা পুরনো জিনিস বিক্রির পাতা থেকে সস্তায় নেওয়া। বসে থাকতে থাকতে ঘাড় আর পিঠের দিকটা প্রথমে টান ধরে, তারপর চুলকানীটা শুরু হয়। প্রথমে ভাবতাম গরম লাগছে বলে হচ্ছে, পরে খেয়াল করলাম মন খারাপ থাকলে বা কাজের চাপ বেশি থাকলে চুলকানিটা আরও বেড়ে যায়।

লেখার অভ্যাসটা শুরু করেছিলাম শুধু মনটাকে একটু স্থির রাখার জন্য, শরীরের জন্য না। কিন্তু কয়েকদিন খেয়াল করে দেখলাম, যেদিন লিখে ঘুমাই সেদিন রাতের চুলকানিটা একটু কম মনে হয়। যদিও এটা ঠিক প্রমাণ করে বলা যায় না, হতেও পারে ওই রাতে এমনিই কম ছিল।

একজন বন্ধু বলল, “এটা তো মনের চাপ থেকেও হতে পারে, খাতায় লিখে দেখ।” তখন অতটা গুরুত্ব দিইনি, এখন মনে হচ্ছে কথাটা মিথ্যা না। পরীক্ষার আর 2 মাস বাকি, পড়ার চাপ আর কাজের চাপ একসাথে চলছে, রাতে মাথা ঠান্ডা না হলে ঘুমটাও ভাঙা ভাঙা হয়ে যায়। সকালে উঠে আবার সেই একই চেয়ার, একই কাজ।

লেখাটা যে চুলকানি পুরো কমিয়ে দেবে তা বলছি না। শুধু এটুকু বলতে পারি, লিখে রাখলে মাথার ভেতরটা একটু হালকা লাগে, আর হালকা লাগলে হাতটাও নিজে থেকেই কম চুলকায় মনে হয়। বাকিটা এখনো বুঝে উঠতে পারছি না।

আপনারা কারো এরকম হয়েছে কিনা জানি না, মন খারাপ বা চাপ বাড়লে চুলকানিও বাড়ে কিনা।

মন্তব্য 0

  • এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
সব লেখার তালিকা দেখুন →