আজকাল রোজের মিটিংয়ে ক্যামেরা অন রাখতে হয়।
বাড়ি থেকে কাজ করি বলে সারাদিন প্রায় স্ক্রিনের সামনেই বসে থাকতে হয়।
কালকের মিটিংয়ে হঠাৎ হাতের চুলকানিটা বেড়ে গেল!
বারবার হাত সরিয়ে রাখছিলাম, তাও একজন সহকর্মী দিদি খেয়াল করে ফেললেন।
তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “সব ঠিক আছে তো?”
আমি শুধু বললাম, “হ্যাঁ হ্যাঁ, এমনি একটু চুলকাচ্ছে।”
কিন্তু ভেতরে ভেতরে মনটা একদম অস্থির হয়ে গেল।
মিটিং শেষ হওয়ার পরও অনেকক্ষণ সেই কথাটাই মাথায় ঘুরছিল।
সবাই কি লক্ষ করেছে, কে জানে।
হয়তো কেউ কিছুই ভাবেনি, তবু মনে হচ্ছিল সবাই যেন দেখে ফেলেছে।
এই ভয়টা এখন প্রতিটা মিটিংয়ের আগেই এসে বসে।
তাই আজকাল মিটিংয়ের সময় হাতা লম্বা জামা পরি, হাতটা টেবিলের নিচে রাখার চেষ্টা করি।
সন্ধ্যায় একটু উল বুনি, হাতটা তাতে একটু শান্ত থাকে ঠিকই, কিন্তু মনটা শান্ত হয় না।
সহকর্মীদের সাথে কতটা কাছে যাব, কতটা দূরে থাকব, এই হিসেবটাই এখন সবচেয়ে কঠিন লাগে।
তাই ইদানীং রাতে একটা খাতায় দিনের কথাগুলো লিখে রাখি, মনটাকে একটু ধরে রাখার জন্য।
আজকের দিনটাও ঠিক তেমনই একটা দিন ছিল।
