← তালিকা

মনের সময় ›চোখের জলের গল্প

রাতের চুলকানি এখন খাতায় টুকে রাখি

কাল রাতে ঘুম আসছিল না বলে ভাবলাম, হিসেবের খাতার মতো একটা আলাদা পাতায় রোজ কখন চুলকানি বাড়ে সেটা টুকে রাখব। প্রথম রাতে কব্জির কাছটা লিখলাম, পরের রাতে হাঁটুর ভাঁজ, তারপর দেখি রাত 11টার দিকেই সবচেয়ে বেশি বাড়ে, বিশেষ করে সোফায় বসে টিভি দেখার সময়টায়।

গত সপ্তাহে মেয়ের বিয়ের তোরজোড়ে ঘরে বসার লোক বাড়বে বলে পুরনো বাজার থেকে একটা কাঠের চেয়ার কিনে এনেছিলাম, ভালো করে মুছে-ধুয়ে রাখা সত্ত্বেও কেন যেন সেদিন থেকে হাত-পা আরও বেশি চুলকাচ্ছিলো। কয়েক রাত টানা লিখে দেখে বোঝা গেল প্যাটার্নটা প্রায় একই থাকে।

বিয়ের নিমন্ত্রণ একটার পর একটা আসছে, লম্বা হাতার জামা খুঁজে খুঁজে হয়রাণ, তার ভেতর এই ছোট্ট খাতাটা রাখা একটু শান্তি দিচ্ছে, অন্তত কখন কোথায় বাড়ে সেটুকু নিজের হাতে ধরা থাকছে।

মন্তব্য 2

  • হাসিখুশি09.18

    আমারও প্রায় একই রকম হয়, সন্ধ্যার পর সোফায় বসে থাকলেই হাত আর পায়ের ভাঁজের দিকটা বেশি চুলকাতে শুরু করে, বসে থাকার ভঙ্গিটাই যেন টেনে আনে ব্যাপারটা। সারাদিন বাসায় বসে কাজ করি বলে বিকেলের পর থেকে শরীরটা কেমন অস্থির লাগে, তখন থেকেই ছোট একটা খাতায় সময় আর জায়গা টুকে রাখা শুরু করেছিলাম, মনটাকে একটু বেঁধে রাখার জন্যই বলা যায়। পুরনো বাজারের জিনিস থেকে এভাবে টের পাওয়া যায় শুনে অবাক হলাম, আমার ঘরেও

  • হাসিখুশি09.21

    চেয়ারটা কেনার পর থেকে বাড়লো শুনে খটকা লাগলো, পুরনো জিনিস থেকে এরকম হওয়া অসম্ভব না। আমিও বাসা থেকে কাজ করি বলে সারাদিন এক জায়গায় বসে থাকা হয়, তাই সন্ধ্যার পর কব্জি আর হাঁটুর ভাঁজে চুলকানি বাড়ে সেটা খেয়াল করেছিলাম ২ মাস আগে। প্রথমে ভেবেছিলাম মনের ভুল, কিন্তু ফোনের নোটে দিন-তারিখ লিখে রাখার পর দেখি প্রায় প্রতিদিনই ৯টার পর থেকেই শুরু হয়। তারপর থেকে ওই সময়টায় একটু সতর্ক থাকি, হাত-পা একবার

সব লেখার তালিকা দেখুন →