← তালিকা

মনের সময় ›চোখের জলের গল্প

উল বুনতেও হাতের চুলকানি থামছে না

Tiny kitten in a litter box

আজ সকাল থেকে ল্যাপটপের সামনে বসে ছিলাম।
ওয়ার্ক ফ্রম হোম করি বলে চেয়ার থেকে ওঠাই হয় না বেশিক্ষণ।
দুপুরের দিকে হাঁটুর পেছনে আর কনুইয়ের ভাঁজে চুলকানি শুরু হল।
হাত ছোঁয়ালেই বোঝা যায়, ত্বকটা কেমন গরম হয়ে আছে।

চুলকাতে চুলকাতে হাত থামাতে না পেরে উলের কাজ বের করলাম।
হাত ব্যস্ত থাকলে অন্তত আঁচড়ানো কমবে, এই ভরসায়।
কিন্তু মনটা তাতেও শান্ত হয় না।
সুতো টানতে টানতে মাথায় ঘুরছিল, বিকেলের মিটিংয়ে ক্যামেরা অন রাখব কিনা।

সহকর্মী দিদি সেদিন জিজ্ঞেস করলেন, “একসাথে বসে চা খাবে?”
কী বলব বুঝে উঠতে পারিনি।
কাছে গেলে হাতের দাগটা চোখে পড়বে, এই ভয়ে একটু দূরত্ব রেখেই চলি।
বেশি দূরে থাকলে আবার অন্য কিছু ভাবেন কিনা, সেই দুশ্চিন্তাও পিছু ছাড়ে না।

রাতে খাতা খুলে আজকের কথাটা টুকে রাখলাম।
লিখে রাখলে মনটা একটু হালকা লাগে, যদিও চুলকানি কমে না।
সবাইকে এই কথাটা বলতে ইচ্ছে করল, কারণ ভেতরের এই অস্থিরতা সাধারণত কাউকে বলা হয় না।

সব মিলিয়ে বলতে গেলে, শরীরের চুলকানির চেয়ে মনের অস্থিরতাটাই আজকাল বেশি ভারী লাগছে।

মন্তব্য 0

  • এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
সব লেখার তালিকা দেখুন →