← তালিকা

মনের সময় ›চোখের জলের গল্প

2 মাসের ডায়েরিতেও হালকা হয় না

আজ সকাল থেকেই মনটা কেমন ভার হয়ে আছে।
সহকর্মী একটা মেসেজ পাঠালো, শুধু কাজের ব্যাপারে।
তাও বুক ধড়ফড় করে উঠল।

বাড়িতে বসে কাজ করি সারাদিন।
চেয়ারেই বসে থাকি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত।
স্ক্রিনের সামনে বসে থাকতে থাকতে মাথাটা ভারী হয়ে যায়।

সহকর্মীদের সঙ্গে কতটা দূরত্ব রাখব, সেটাই বুঝি না।
বেশি কাছে গেলে বোঝা মনে হয়।
আবার দূরে থাকলে অদ্ভুত লাগে।
ভিডিও কলের সময় ক্যামেরা অন রাখব কিনা, সেটাও প্রতিবার ভাবতে হয়।
এই হিসেবটা রোজ মাথায় ঘোরে।

হাত দুটো একটু বিশ্রাম দিতে উল বোনা শুরু করেছিলাম।
কিন্তু হাত ব্যস্ত থাকলেও মাথা শান্ত হয় না।
উল্টে বসে বসে আরও বেশি ভাবি।

রাতে ডায়েরি লিখি, মনটা ধরে রাখার চেষ্টায়।
2 মাস ধরে প্রতিদিন লিখছি।
পুরনো পাতাগুলো মাঝে মাঝে উল্টে দেখি।
তখন কিছুটা হালকা লাগে।
কিন্তু পরদিন সকাল হলেই আবার সেই একই ভার ফিরে আসে।

আজও তেমনই একটা দিন গেল।
এভাবেই চলছে আজকাল।

মন্তব্য 9

  • ক্লান্ত পাখি09.30

    মেসেজ দেখেই বুক ধড়ফড় করাটা পড়ে খুব চেনা লাগল, আমারও প্রায় এরকম হয়। ডায়েরি লিখে পুরনো পাতা উল্টে একটু হালকা লাগার ব্যাপারটা আমিও অনুভব করেছি কিছুদিন ধরে।

  • হাসিখুশি09.30

    ক্যামেরা অন রাখব কিনা এই চিন্তাটা পড়ে থমকে গেলাম, আমিও ঠিক এই জিনিসটা নিয়ে রোজ ভাবি। ঘরে বসে কাজ করি বলে সকাল থেকে বিকেল অবধি চেয়ারে বসেই কাটে, স্ক্রিনের সামনে বসে থাকতে থাকতে ঘাড় আর মাথাটা ভার হয়ে যায় আমারও। হাত ব্যস্ত রাখলেই যে মাথা শান্ত হয় না এটা আমারও অভিজ্ঞতা, তাও রাতে লিখতে বসি নিয়ম করে। পাতাগুলো জমতে থাকে, ভার পুরোপুরি কমে না ঠিকই কিন্তু লেখার সময়টুকু অন্তত নিজের থাকে।

  • হাসিখুশি10.01

    পুরনো পাতা উল্টে হালকা লাগাটা আমারও হয়, পুরোপুরি না হলেও কিছুটা কাজ করে

  • হাসিখুশি10.03

    দূরত্ব ঠিক করাটা আমার কাছেও কঠিন, বেশি কাছে গেলেই বোঝা মনে হয়

  • হাসিখুশি10.03

    2 মাস ধরে রোজ ডায়েরি লেখার কথাটা পড়ে নিজের কথাই মনে পড়ে গেল, আমিও রাত 9টার দিকে কিছু না কিছু লিখে রাখার চেষ্টা করি। শুরুর দিকে কোনো কোনো দিন দুই লাইনের বেশি মাথায় আসত না, তাও জোর করে বসে থাকতাম। লিখতে লিখতে বুকের ভেতরের চাপটা পুরোপুরি না গেলেও কিছুটা হালকা হয়, এইটুকুই এখন ভরসা। বাসায় বসে কাজ করি বলে কাজ আর বিশ্রামের মধ্যে আলাদা কোনো লাইন থাকে না, সেটাও আমার সাথে পুরো মিলে যায়।

  • হাসিখুশি10.04

    হাত ব্যস্ত রাখলেও মাথা শান্ত হয় না, এমন আমার সাথেও হয়

  • হাসিখুশি10.04

    লেখার পরেও কিছুটা থেকে যায় আমার বেলায়ও, পুরোটা যায় না

  • হাসিখুশি10.04

    সহকর্মীর সামান্য একটা মেসেজেও বুক এভাবে ধড়ফড় করাটা পড়ে মনটা ছুঁয়ে গেল। আমার ক্ষেত্রেও ফোনের নোটিফিকেশন শব্দ শুনলেই পেটের ভেতর কেমন করে ওঠে, পরীক্ষার পড়া নিয়ে এমনিতেই মাথা ভার থাকে তার উপর।

  • হাসিখুশি10.06

    ভিডিও কলে ক্যামেরা অন রাখব কিনা এই হিসেবটা পড়ে একদম নিজের কথা মনে হলো! আমারও প্রতিটা মিটিংয়ের আগে এই একই চিন্তা মাথায় ঘোরে, ক্যামেরা অফ রাখলে একটু হালকা লাগে ঠিকই কিন্তু পরে মনে হয় সবাই কী ভাবলো, ওই দ্বিধাটা কিছুতেই যায় না। সারাদিন চেয়ারে বসে কাজ করাটাও আমার রুটিন, সন্ধ্যার দিকে মাথাটা এমন ভারী লাগে যে কিছুই ঠিকঠাক গুছিয়ে ভাবতে পারি না। দাদা একটু দূরে সরে এসে কাজ করলে এই চাপটা কমে কিনা

সব লেখার তালিকা দেখুন →