← তালিকা

একসঙ্গে ›খোলা আড্ডা

সেকেন্ড হ্যান্ড চেয়ারটা আনলাম আজকে

আজ সকালে অনলাইনে একটা সেকেন্ড হ্যান্ড গ্রুপ থেকে একটা পুরনো অফিস চেয়ার আনলাম। বাসায় সারাদিন বসে কাজ করি তো, আগের চেয়ারটা একদম ভেঙে গেছিল, পিঠে খুব লাগতো। নতুন কেনার সাহস হয়নি, দামটা একটু বেশি লাগে আজকাল সবকিছুরই। তাই সেকেন্ড হ্যান্ড খুঁজছিলাম প্রায় ১০ দিন ধরে।

সেলার দাদা প্রথমে ২০০০ টাকা চাইছিলেন, শেষমেশ ১৩০০ তে রফা হলো। উনি নিজেই বাইকে করে দিয়ে গেলেন, বেশ ভালো মানুষ মনে হলো। চেয়ারটায় বসেই মনে হলো আহা, এতদিন কেন কিনিনি!

গত মাসে একটা ছোট টেবিলও এভাবেই কিনেছিলাম, একই সেলারের কাছ থেকে। এখন ঘরটা একটু একটু করে গোছানো লাগছে, যদিও সবই পুরনো জিনিস দিয়ে।

তবে একটা কথা বলি — আজকাল ছোট ছোট জিনিসেও আগের মতো খুশি হতে সময় লাগে আমার। মাথার ভেতর সবসময় কিছু একটা ঘুরতে থাকে, পরীক্ষার আর ২ মাস বাকি, সেটা নিয়েও চিন্তা কাজ করে। প্রতিদিন রাতে যা মনে আসে একটু লিখে রাখার চেষ্টা করি, তাতে মাথাটা একটু ‘হালকা’ লাগে। আজকের লেখাটাও তারই একটা অংশ ধরে নেন।

চেয়ারে বসে কাজ করতে করতে বিকেলে বৃষ্টি নামলো, জানলার পাশে বসে অনেকক্ষণ শুধু দেখলাম। কাজ ফেলে রেখে এভাবে বসে থাকাও বোধহয় মাঝে মাঝে দরকার।

আপনারা secondhand থেকে কিছু কিনলে দরদাম কীভাবে করেন? আমি তো প্রতিবার একটু ভয়ে ভয়ে বলি, একটু কমাবেন না ভাই…

মন্তব্য 4

  • শান্ত মন08.30

    পরীক্ষার চাপে ছোট জিনিসেও খুশি হতে সময় লাগে, বুঝি ব্যাপারটা

  • পাগলী09.01

    ছোট জিনিসে খুশি হতে সময় লাগার কথাটা খুব বুঝি, আজকাল আমারও অনেকটা এমনই লাগে

  • ক্লান্ত পাখি09.03

    চেয়ারটা কি পরীক্ষার পড়ার জন্যই কিনলেন?

  • → ক্লান্ত পাখিহাসিখুশিলেখক09.03

    পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য না, তবে পড়াশোনাটাও একটা কারণ ছিল বলতে গেলে। মূল কারণ হলো সারাদিন অফিসের কাজেই বসে থাকি তো, পুরনো চেয়ারটায় পিঠে এত ব্যথা হতো যে কাজ করাই কষ্টকর হয়ে যাচ্ছিল। এখন পরীক্ষার পড়াও তো একই জায়গায় বসে করতে হবে, তাই একসাথে দুইটা দরকারই মিটে গেল বলা যায়। সেলার দাদার সাথে দরদাম করার সময় মাথায় ছিল যে এবার ঠিকঠাক একটা জিনিস না নিলে সামনের কয়েক মাস আরও কষ্ট হবে। আর সত্যি বলতে

সব লেখার তালিকা দেখুন →