ব্রেড বানাতে গিয়ে হঠাৎ খেয়াল হলো, নিজের জন্য এভাবে সময় বার করিনি অনেকদিন।
নাইট শিফট শেষে বাসায় ফিরে ঘুমাইনি, বরং ময়দা মাখতে বসে গেলাম। হাত দিয়ে ডো মাখতে মাখতে মনটা কেমন যেন শান্ত হয়ে গেল।
মা এখন আগের চেয়ে অনেকটা স্থিতিশীল, নিজে নিজে বসতে পারছেন, সকালের ওষুধটাও মনে করে নিজেই খান। এই কয়েক মাস তো ওনার দিকেই সব মনোযোগ ছিল, নিজের কথা প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম।
আলমারির কোণে একটা বই পড়ে আছে অনেকদিন, আজ ঠিক করলাম শুরু করব।
শিফটের ফাঁকে ফাঁকে কতটা এগোবে জানি না, তবে চেষ্টাটা করে দেখি।
ব্রেডটা শেষমেশ একটু বেশিই পুড়ে গেল, তাও মন খারাপ হলো না।
