শরীরটা সেই কাজ শুরুর সময় থেকেই বসে বসে ব্যথা করছিল।
কাজ তো বাড়ি থেকেই, তাই সারাদিন চেয়ারে বসে থাকতে থাকতে ঘাড়টা শক্ত হয়ে যাচ্ছিল। পড়ার জন্য আলাদা টেবিল দরকার ছিল অনেকদিন ধরেই, কিন্তু নতুন কিনতে গেলে দাম শুনেই পিছিয়ে আসতাম।

গত সপ্তাহে সেকেন্ড হ্যান্ড গ্রুপে দাদা পুরনো স্টাডি টেবিল বিক্রি করছিলেন। রংটা একটু উঠে গেছে, তবে গঠনটা মজবুত। কথা বলে দরদাম করে নিয়ে এলাম।
টেবিলটা ঘরের কোণে বসিয়ে ওপরে বইখাতা সাজিয়ে রাখলাম। পরীক্ষার পড়াও এখন ওখানেই বসে করি, রাতে ডায়েরিটাও ওই টেবিলেই লিখি। কেমন যেন নিজের জায়গা তৈরি হল বলে মনে হচ্ছে।
মাথার ভেতর অস্থিরতাটা পুরো কমেনি, তবে টেবিলের সামনে বসলেই একটু গুছিয়ে ভাবতে পারি। ঘাড়ের ব্যথাটাও আগের চেয়ে কম লাগছে এখন।
পুরনো জিনিস দিয়েও এভাবে কোণ নিজের মতো গুছিয়ে নেওয়া যায়, সেটা এবার বুঝলাম।
