আজ সকালে ডায়েরিটা খুলে বসেও কিছু লিখতে পারছিলাম না।
রোজ লেখার চেষ্টা করি, কিন্তু আজ মাথার ভেতর এত চিন্তা ঘুরছিল যে একটা শব্দও আসছিল না। সকাল থেকে কাজের জন্য চেয়ারেই বসে আছি, ঘাড়টাও শক্ত হয়ে গেছে। পরীক্ষার কথাটাও মাথায় ঘুরঘুর করছে, সেটাও একটা কারণ হতে পারে।
শেষে ভাবলাম, আজ বড় করে না লিখে একটা লাইনই লিখি। তাই শুধু লিখলাম, “আজ শরীরটা ক্লান্ত, মনটাও অস্থির।” এইটুকুই।
অবাক লাগল, এতেই কেমন একটা হালকা লাগল! আগে ভাবতাম, কম লিখলে বা না লিখলে ডায়েরি লেখাটাই ঠিকমতো হচ্ছে না। কিন্তু আজ বুঝলাম, এক লাইনও কম নয়।
পুরনো ছোট্ট নোটবুকটাতেই লিখেছি, পাতা বেশি নেই তো, তাতেও সমস্যা হলো না।
দাদা-দিদিরা কেউ কেউ হয়তো রোজ বড় করে লেখেন, কেউ আবার কিছুই লেখেন না। দুটোই ঠিক আছে বলে আজ মনে হলো।
