
আগেরবার যে সেকেন্ড হ্যান্ড আলমারির ড্রয়ারে পুরনো পারফিউমের শিশিটা পাওয়ার কথা লিখেছিলাম, সেটা এখনও ফেলিনি।
শোকেসের এক কোণে রেখে দিয়েছি, আর মাঝে মাঝে ঢাকনাটা খুলে একটু গন্ধ শুঁকে দেখি।
কেউ কেউ বলেছিলেন আগের মালিকের মেয়ের হতে পারে, কেউ বললেন বিয়ের সময়ের উপহার হতে পারে, সেই কথাগুলো মাথায় ঘুরঘুর করছিল।
কাল রাতে হিসাবের খাতা খুলে বসেছিলাম, এই মাসের বিয়ের উপহারের টাকাগুলো লিখব বলে, কিন্তু কলম হাতে নিয়ে কতক্ষণ ধরে ওই শিশিটাই শুঁকছিলাম, হিসাব আর এগোয়নি।
কার জিনিস, কবে কেনা, এসব নিয়ে এত ভাবার কী মানে বুঝি না, তবু ভাবনাটা কাটে না।
আমার বয়সে এসে একটা অচেনা মানুষের পুরনো শিশি নিয়ে এমন বসে থাকা একটু বেশিই বোকার মতো লাগছে, আশেপাশে সবাই বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত, আর আমি এই গন্ধটার মধ্যেই আটকে আছি!
হিসাবের খাতাটা আজ রাতেও ওই এক পাতায় খোলা পড়ে আছে।
