মিটিং এর চাপ বাড়লেই কনুই আর ঘাড়ের চারপাশে চুলকানি বেড়ে যাচ্ছে।
আজ সকালেও টার্গেট নিয়ে কথা হচ্ছিল, হঠাৎ এমন চুলকাল যে সহকর্মীদের সামনে বিব্রত লাগল।
রাতেও চুলকানিতে ঘুম ভেঙে যাচ্ছে, সকালে অফিসে মন বসাতে কষ্ট হয়~
ডাক্তারের ক্রিমের পাশাপাশি বাসায় নিমপাতা সেদ্ধ জল দিয়ে ধুচ্ছি, নারকেল তেলও মাখছি।
3 সপ্তাহ ধরে করছি, মানে কোনটায় আসলে কাজ হচ্ছে বুঝতে পারছি না।
ডাক্তার বলেছিলেন, “রোজ লাগাবেন না, মাঝে মাঝে বন্ধ রাখুন।”
তাই ভয়ে (স্টেরয়েড ক্রিম) মাঝে মাঝে বাদ দিই, এভাবে থামিয়ে থামিয়ে লাগালে আসল উপকার হয় কি?
দাদা-দিদিরা, আপনাদের মধ্যে কেউ কি এভাবে ক্রিম মাঝে বন্ধ রেখে সামলেছেন?
