অফিসে পুরো দিন চেয়ারে বসে কাজ করতে হয়। গরম আর আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘাড়ের পেছনে আর পিঠে ঘাম জমে চুলকানি বেড়ে যাচ্ছিল।
ফিটেড পলিয়েস্টার শার্ট পরতাম বলে কলারের কাছে বাতাস চলত না। কয়েকদিন ঢিলা কটন শার্ট পরে অফিসে গেলাম।
প্রথম দিনেই বোঝা গেল ঘাড়ের কাছে কম ঘামছে। চুলকানিও একটু কমেছে বলে মনে হল।
তবে বসার ভঙ্গি আগের মতোই সামনে ঝুঁকে থাকে। শার্ট বদলালেও কাঁধ টান ধরে। তাই স্ট্রেচিং পুরোপুরি বাদ দিইনি।
সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে দেখি পিঠের ঘামাচিও আগের চেয়ে কম। হয়তো শুধু শার্টের কারণে না, তবে এটুকু বদলে একটু আরাম লাগছে।
এই কটন শার্টগুলো অফিসের পোশাকবিধিতেও মানিয়ে যায় বলে চালিয়ে যাওয়া সহজ হয়েছে।
